• India India
  • Date 15th June, 2021

24x7 Online News Portal in Bengali| News Hut

Copy By anandabazar patrika

পালস অক্সিমিটারের দাম এক লাফে বেড়ে ৪৫০০ টাকা!

পালস অক্সিমিটারের দাম এক লাফে বেড়ে ৪৫০০ টাকা!

By Priyanka Sarkar - 26th April, 2021

www.webhub.academy

এক বাড়িতে বাবা-মা ও ছেলে করোনায় আক্রান্ত। বাবার হাই সুগার। সদ্য রিপোর্ট পেয়েই এক বন্ধুকে টাকা দিয়ে পালস অক্সিমিটার, রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ মাপার যন্ত্র কিনে আনতে দিয়েছিলেন ছেলে। তার জন্য খরচ পড়েছিল মোট ৩৭০০ টাকা। দিন দশেকের মাথায় নিজের বাড়ির জন্য ওই একই জিনিস কিনতে গিয়ে চোখ কপালে উঠল সেই বন্ধুর!

দিনভর হন্যে হয়ে ঘুরে তিনি দেখলেন, ১০ দিন আগে যে পালস অক্সিমিটার ১৭০০ টাকায় কিনেছেন, তারই এখন দাম সাড়ে চার হাজার টাকা! সুগার মাপার যন্ত্রের দাম হাঁকা হচ্ছে চার হাজার। সামান্য ভেপার নেওয়ার ৩০০ টাকার যন্ত্রের দাম চাওয়া হচ্ছে এক হাজার টাকারও বেশি। থার্মোমিটারের দাম ১৫০০ টাকা! সব মিলিয়ে আগে কেনা ৩৭০০ টাকার জিনিসের দাম এখন গিয়ে ঠেকেছে প্রায় সাড়ে ন’হাজারে!

এই মুহূর্তে করোনার চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত জিনিসের দাম শহরে এমনই আকাশছোঁয়া বলে অভিযোগ। শুধু অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিই নয়, দিনভর ঘুরে বহু জায়গাতেই এর অধিকাংশ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। বহু ক্ষেত্রেই এই সব নিয়ে কালোবাজারিও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে দাবি। ওষুধের দোকানের মালিকদের বড় অংশ আবার জানাচ্ছেন, এর সঙ্গে উধাও হয়ে গিয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধও।




গত বছরের করোনা পরিস্থিতিতে একই রকম অবস্থা দেখা গিয়েছিল শহর জুড়ে। পালস অক্সিমিটার, থার্মোমিটারের পাশাপাশি মাস্ক নিয়েও এই ধরনের কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া নির্দেশে এর পরে এ নিয়ে তৎপর হয় পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখা। শহর জুড়ে ধরপাকড় শুরু হয়। তবে এ বার তাদের সেই তৎপরতা এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি বলে অভিযোগ।

লেক টাউনের একটি ওষুধের দোকানের মালিক বললেন, “পালস অক্সিমিটার চেয়েও পাওয়া যাচ্ছে না। এই মুহূর্তে এটার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কিছু দিন আগেও ৫০০ টাকায় কিনে ৭০০ টাকায় বিক্রি করেছি। এ বার সেই ডিস্ট্রিবিউটর একটা পালস অক্সিমিটারের জন্য এক হাজার টাকা করে চাইছেন। এ দিকে নকল পালস অক্সিমিটার বিক্রির দায়ে পুলিশের খপ্পরে পড়তে চাই না। এ নিয়ে কালোবাজারি হচ্ছে কি না, তা-ও তো জানি না। তাই এর সঙ্গে যুক্ত থাকব না ঠিক করেছি।” সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, “শুধু অক্সিমিটার কেন, ডক্সিসাইক্লিন, মন্টেক এল সি বা আইভারমেকটিনের মতো ওষুধও পাওয়া যাচ্ছে না।” শ্যামবাজারের একটি ওষুধের দোকানের ম্যানেজার বিশ্বজিৎ ঘোষ আবার বললেন, “পুলিশের ভয়ে এ বার মাস্ক নিয়ে সে রকম কিছু হচ্ছে না। কিন্তু পালস অক্সিমিটার বা সুগার, প্রেশার মাপার যন্ত্র নিয়ে হাহাকার চলছে। গত চার দিন ধরে আমাদের কাছে একটাও অক্সিমিটার নেই। ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে হত্যে দিয়ে পড়ে থেকেও পাচ্ছি না। কালোবাজারি না হলে এ জিনিস হয় না। পুলিশ-প্রশাসনেরই আরও সতর্ক হওয়া উচিত।”




পোস্তার একটি ওষুধের দোকানের মালিক শম্ভুনাথ রায় জানালেন, এমনিতে এক একটি সংস্থার জন্য জ়োনভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটর থাকে। তাদের থেকে ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী কিনে ডিলারেরা দোকানে পৌঁছে দেয়। কিন্তু গত কয়েক দিনে সমস্ত ডিলার হাত তুলে দিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, যেখানে হয়তো দিনে এক হাজার অক্সিমিটারের চাহিদা ছিল, এখন সেখানেই দৈনিক চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজারে। ফলে জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে সংস্থাগুলি। ওষুধের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, এই ভয়ে বেশি করে ওষুধ তুলে রাখতে গিয়েই স্টক ফাঁকা হয়ে রাতারাতি হাহাকার শুরু হয়েছে। একটি ওষুধ বিপণির হাজরা মোড়ের স্টোরের ম্যানেজার সতীশ ঘোষের অবশ্য দাবি, “এর চেয়েও বড় ভয়, ভুয়ো জিনিস বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়ে যাওয়া। পালস অক্সিমিটার বা অন্য যে কোনও যন্ত্রের বেশির ভাগই আসে চিন থেকে। কম দামে তা কিনে উপরে বড় সংস্থার স্টিকার লাগিয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হয়। কোনওটা কাজ করে, কোনওটা এমন রিডিং দেয় যে চিকিৎসকেরও চোখ কপালে ওঠে। যেখানে অক্সিজেনের মাত্রা ৩০-এর নীচে নেমে গিয়েছে দেখাচ্ছে যন্ত্র, সেখানে দিব্যি হেঁটে বেড়াচ্ছেন সেই ব্যক্তি। গোটা বছর এ সব নিয়ে কেউ খোঁজ করতে আসে না। কিন্তু এখন অতিমারির সময়ে দিন কয়েকের মধ্যেই নজরদারি, ধরপাকড় শুরু হল বলে! তাই ঝুঁকি নিতে চাইছেন না অনেকেই। তাতেই আরও আকাল বাড়ছে।”

লালবাজারের এক শীর্ষ কর্তার অবশ্য মন্তব্য, “গোটা বছরই নজরদারি চালানো হয়। এই করোনা পরিস্থিতিতে কালোবাজারি বাড়তে পারে ভেবে বাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছে। দ্রুত নানা দোকানে হানা দেওয়া হবে।”

Photo- yalemedicine

আরো পড়ুন

লোকাল ট্রেন চালাতে রাজ্যকে চিঠি দিল রেল

By Bijan Mukherjee - 14th June, 2021

কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় রাজ্যে জারি থাকা বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হতে পারে বলে নানা মহলে ইঙ্গিত মিলেছে। আরো পড়ুন

আনাজের বাজার ফের চড়া

By Arunabha Pradhan - 7th June, 2021

দিন দশেক আগেও বাজারে জ্যোতি আলুর দাম ছিল কেজি প্রতি ১৫ টাকা। আরো পড়ুন

সংক্রমণ এড়াতে বেশি বাজারে যাবেন না

By Bitan Ghosh - 28th May, 2021

আজ ভাল মাছ পাওয়া গেল না, কাল আবার দেখতে হবে— এভাবেই বাজার করার অভ্যাস বাঙালির। আরো পড়ুন

আজ থেকে বাজারে ডিআরডিও-র কোভিডের ওষুধ

By Bitan Ghosh - 17th May, 2021

কোভিডের চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য ২-ডিঅক্সি-ডি-গ্লুকোজ (২-ডিজি) তৈরি করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)। আরো পড়ুন

কলকাতা-সহ দেশের ৪ বড় শহরে বাড়ল পেট্রল, ডিজেলের দাম

By Deep Das - 6th May, 2021

টানা ৩ দিন বাড়ল পেট্রল ও ডিজেলের দাম। আরো পড়ুন

আজ থেকে ১৪ দিনের জন্য বন্ধ লোকাল ট্রেন

By Arunabha Pradhan - 6th May, 2021

বাংলায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ করা হচ্ছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। আরো পড়ুন

ঘরে বসে ইপিএফ ব্যালেন্স জানতে চান?

By Bijan Mukherjee - 28th April, 2021

কর্মরত মানুষের জীবনে ইপিএফ (EPF) বা এমপ্লয়ি প্রভিডেন্ট ফান্ড একটি বড় বিষয়। আরো পড়ুন

কোভিডে পরিষেবা দিতে অ্যাপ-ক্যাব নামাচ্ছে সিটু

By Sneha Chatterjee - 27th April, 2021

কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে গোটা রাজ্যে অপ্রতুল হয়ে পড়েছে অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা। আরো পড়ুন

কাজে আসতে পারে ‘করোনার ওষুধ’ মলনুপিরাভির!

By Bitan Ghosh - 27th April, 2021

দেশ করোনা (COVID) থাবায় বিধ্বস্ত। আরো পড়ুন

কোভিড বিধ্বস্ত ভারতের জন্য ১৩৫ কোটি সাহায্য ঘোষণা গুগলের

By Dibyendu - 26th April, 2021

করোনার প্রকোপে বিধ্বস্ত ভারতের জন্য ১৩৫ কোটির আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করল সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল। আরো পড়ুন

News Hut
www.webhub.academy